দুইদিকে দরজা পর্ব ১৪
অনন্য কাওছার আসিফের শরীরটা বেশ খারাপ লাগছে। হাতপা ফুলেফেঁপে উঠেছে আবার। দেহের আকৃতি দিনেদিনে কেমন জানি হয়ে যাচ্ছে। সমস্ত শর…
অনন্য কাওছার আসিফের শরীরটা বেশ খারাপ লাগছে। হাতপা ফুলেফেঁপে উঠেছে আবার। দেহের আকৃতি দিনেদিনে কেমন জানি হয়ে যাচ্ছে। সমস্ত শর…
অনন্য কাওছার গভীর অরণ্য। চারপাশে বিশাল বটবৃক্ষ। সারি সারি গাছপালা। বনের পরিসর এতোটাই বিশাল যে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে পৌ…
অনন্য কাওছার আসিফ বাইরে বেরোলো। হাতে সিগারেট। বারান্দায় বসে সিগারেট খাওয়া ঠিক হবে না। সেকারণে আসিফকে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠতে হ…
অনন্য কাওছার মনসুর মানিক বই পড়ছেন। একটানা বই পড়তে পড়তে শরীরটা মেজমেজ করছে। চোখের কোণে ঘুমঘুম ভাব। তিনি ঘুম কাটাতে বাইরে বেরো…
অনন্য কাওছার সকাল সাতটা বাজে। মনসুর মানিক হেলান দিয়ে ইজিচেয়ারে বসে আছেন। টেবিলে চায়ের কাপ। হাতে পাহাড় পয়েন্ট টুয়েন্টি সেভেন…
অনন্য কাওছার আসিফ ভয় পেল না। অবশ্য ভয়ের কোনো কারণ নেই। ছোটবেলা থেকেই এরকম অনেক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিল সে। তাছাড়া, এই দুই…
অনন্য কাওছার আসিফ চোখ খুলে দেখল সে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। তাঁর মুখোমুখি বসে আছে অর্পিতা। আসিফের হাতটা আলতোভাবে ধরে প্রার…
অনন্য কাওছার চারিদিকে মেঘের মতো অন্ধকার। আজ পৃথিবীতে সূর্যের দপদপ আলো প্রকটিত হয়নি। যেন রক্তিম আকাশ থেকে ছিটকে পড়ছে নীলের আ…
অনন্য কাওছার নীলপরি অঞ্চলে মিশরীয় পিরামিডের মতো সারি সারি পাহাড়। সাতাশ নম্বর পাহাড়ে বসবাস করতো একরকমের দানবাকৃতির তার্জিন স…
অনন্য কাওছার নীল ডায়েরি হাতে নিল অর্পিতা। ডায়েরিটা বেশ পুরনো মনে হলেও ভেতরের লেখা চাকচিক্যময়। হাতের লেখা এতোটাই অনুজ্জ্বল য…
অনন্য কাওছার রাত এগারোটা। বাইরের আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন। হল্কা পাতলা ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। রাতের শেষ দিকে বৃষ্টির স…
অনন্য কাওছার আসিফ একটা চিঠি ড. মনসুর মানিক স্যারের হাতে তুলে দিয়ে বলল, কয়েকজন অপরিচিত লোক আমার কাছে এই চিরকুট আর একটা সুটকে…
অনন্য কাওছার আসিফ বাতিঘর থেকে জহির রায়হানের 'বরফগলা নদী' এবং হুমায়ুন আজাদের 'জালো চিতাবাঘ' নিয়ে বেরিয়ে এলো।…
অনন্য কাওছার প্রাইভেট শেষ করে আসিফ বাতিঘরের দিকে যাচ্ছে। প্রত্যেক মাসের তিন-চার তারিখ সে 'বাতিঘর' আসে। উদ্দেশ্য বই …