একগুচ্ছ কবিতা
জাকির সেতু
রূপকথার জ্যোৎস্নায় বিরহ
বিরহের বারান্দায় অভাগা মন পড়ে থাকে
ঝরে পড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলের পাপড়ি
সময়ের ভেতর অসামঞ্জস্যতা পথ হয় সংকুচিত ।
বার্ধক্য মনে আকাঙ্ক্ষার বৃষ্টি ঝরে
রূপকথার মতো তোমার প্রবর্তনের আশায় ।
বিরহ বেঁধে রাখা যায় না বিষণ্নতার চৌকাঠে
মাড়িয়ে দেখতে চায় সুবিশাল আকাশ
জ্যোৎস্নায় করতে চায় দুঃখ ভাগ ।
একটি অভাগা তৈলচিত্র প্রেমহীন হৃদয়
আসক্তির উপত্যকায় তোমার খুনে চোখে
তৃষ্ণার্ত জলের মতো কামনা ছড়ায়।
বিষণ্ণ জলের শব্দ
বিষণ্ণতায় মরে যাই গাঙের মতো
নিঃশব্দে স্রোতহীন বয়ে চলা
ভেতরে জমাট বাঁধা ঘোর অন্ধকার
তোমার অভিমান প্রিয় শব্দের কাছে ।
বারবার ফিরে গিয়েও অপেক্ষার প্রহর গোনা গাঙচিল
সাইবেরিয়ার বিক্ষিপ্ত বরফঝড়ে বিধ্বস্ত
মনের উঠোনে সযত্নে লালন করা গাছগুলি ।
পানকৌড়ির পালকে বিষণ্নতার বিচ্ছেদ
তোমার প্রিয় অবহেলার প্রেমে পড়েছি
নিদ্রাহীন চোখে আর কত আসক্তি গণনা করব।
মুদ্রাস্ফীতির প্রেম
তোমার অসাম্প্রতিক মনে হয় মুদ্রাস্ফীতি
লুটের হাওয়া গাঙের যৌবন কৃত্রিম চোখের কোণে
আকাঙ্ক্ষায় বিষণ্ন দিন হয় রঙিন।
স্তনযুগলে নেমে আসা সুঘ্রাণ বাতাস শুষে নেয়
আহত পাখির ভেঙে যায় বিশ্বাস
ভাতঘরে চলে অপার্থিব হিসেবের খসড়া
মৌনতা নেমে আসে শহরজুড়ে স্নিগ্ধ বাতাসে।
উচ্ছ্বসিত সব আবেগ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে
মনের ঘরে অকাল নেমে এসেছে সত্তা হয়েছে মৃত্যু
তারপর কতকাল একাকিত্বের বিচ্ছেদে ঘাসফড়িং।
কোয়ান্টাম নকশার অলিগলি
বিধ্বস্ত খরায় জেগে ওঠে জন্মান্ধ
ভাঙা মাস্তুল অপেক্ষার পিরিতপুরুষ
বৈষম্য মনের অলিগলিতে ট্যাক্স ফ্রি
বডি স্প্রের গন্ধটুকু প্রখর রোদ টেনে আনে।
নামতাহীন বাতাস কারুকার্য জানে
তোমার পদচিহ্নের অনুকরণ লাল গোলাপ।
এক পেয়ালা দুঃখ পেলেই বন্ধ হবে সদর দরজার খিল
যতি চিহ্ন ও ফুলস্টপ তোমার তুলে রাখা শব্দ।
নতুন শব্দ আজেলিয়া হতে চায়।
লগআউট মস্তিষ্কের প্রেমময় দিন
মস্তিষ্কে সাইবার হামলায় জর্জরিত স্মৃতিশক্তি! শুধু মস্তিষ্কে ইনপুট করা হয়েছে টাকার অধ্যায় সুখ কেনার সূত্র জ্যামিতিক নির্ণয় আর বহুরূপী মনুষ্যত্বের ক্যালেন্ডার!
যোগ হয়েছে স্বার্থের বিস্তর তালিকা, কৃত্রিম মন উৎপাদনের সূচি, মন বোঝার মন্ত্র! সাইবার হামলা সবকিছু ব্লক করেছে!
লগ-আউট করেছে আমার প্রেমময় দিন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মায়া !
মনুষ্যত্বের উপত্যকা আবেগী মন বিরহের মেঘ, দাম্পত্য জীবন, কষ্টের দিন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর কিছু রঙিন স্বপ্ন!
এখন নিজেকে মানুষ ভাবতে পারি না—যান্ত্রিক মনে হয়! কেউ কেউ এলিয়েন বলে বিস্মিত চোখে তাকায়; উপত্যকায় শুধুই অগ্নিগিরির স্ফুলিঙ্গ হয় প্রতিনিয়ত।
[পাবনা]
বিরহের বারান্দায় অভাগা মন পড়ে থাকে
ঝরে পড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলের পাপড়ি
সময়ের ভেতর অসামঞ্জস্যতা পথ হয় সংকুচিত ।
বার্ধক্য মনে আকাঙ্ক্ষার বৃষ্টি ঝরে
রূপকথার মতো তোমার প্রবর্তনের আশায় ।
বিরহ বেঁধে রাখা যায় না বিষণ্নতার চৌকাঠে
মাড়িয়ে দেখতে চায় সুবিশাল আকাশ
জ্যোৎস্নায় করতে চায় দুঃখ ভাগ ।
একটি অভাগা তৈলচিত্র প্রেমহীন হৃদয়
আসক্তির উপত্যকায় তোমার খুনে চোখে
তৃষ্ণার্ত জলের মতো কামনা ছড়ায়।
বিষণ্ণ জলের শব্দ
বিষণ্ণতায় মরে যাই গাঙের মতো
নিঃশব্দে স্রোতহীন বয়ে চলা
ভেতরে জমাট বাঁধা ঘোর অন্ধকার
তোমার অভিমান প্রিয় শব্দের কাছে ।
বারবার ফিরে গিয়েও অপেক্ষার প্রহর গোনা গাঙচিল
সাইবেরিয়ার বিক্ষিপ্ত বরফঝড়ে বিধ্বস্ত
মনের উঠোনে সযত্নে লালন করা গাছগুলি ।
পানকৌড়ির পালকে বিষণ্নতার বিচ্ছেদ
তোমার প্রিয় অবহেলার প্রেমে পড়েছি
নিদ্রাহীন চোখে আর কত আসক্তি গণনা করব।
মুদ্রাস্ফীতির প্রেম
তোমার অসাম্প্রতিক মনে হয় মুদ্রাস্ফীতি
লুটের হাওয়া গাঙের যৌবন কৃত্রিম চোখের কোণে
আকাঙ্ক্ষায় বিষণ্ন দিন হয় রঙিন।
স্তনযুগলে নেমে আসা সুঘ্রাণ বাতাস শুষে নেয়
আহত পাখির ভেঙে যায় বিশ্বাস
ভাতঘরে চলে অপার্থিব হিসেবের খসড়া
মৌনতা নেমে আসে শহরজুড়ে স্নিগ্ধ বাতাসে।
উচ্ছ্বসিত সব আবেগ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে
মনের ঘরে অকাল নেমে এসেছে সত্তা হয়েছে মৃত্যু
তারপর কতকাল একাকিত্বের বিচ্ছেদে ঘাসফড়িং।
কোয়ান্টাম নকশার অলিগলি
বিধ্বস্ত খরায় জেগে ওঠে জন্মান্ধ
ভাঙা মাস্তুল অপেক্ষার পিরিতপুরুষ
বৈষম্য মনের অলিগলিতে ট্যাক্স ফ্রি
বডি স্প্রের গন্ধটুকু প্রখর রোদ টেনে আনে।
নামতাহীন বাতাস কারুকার্য জানে
তোমার পদচিহ্নের অনুকরণ লাল গোলাপ।
এক পেয়ালা দুঃখ পেলেই বন্ধ হবে সদর দরজার খিল
যতি চিহ্ন ও ফুলস্টপ তোমার তুলে রাখা শব্দ।
নতুন শব্দ আজেলিয়া হতে চায়।
লগআউট মস্তিষ্কের প্রেমময় দিন
মস্তিষ্কে সাইবার হামলায় জর্জরিত স্মৃতিশক্তি! শুধু মস্তিষ্কে ইনপুট করা হয়েছে টাকার অধ্যায় সুখ কেনার সূত্র জ্যামিতিক নির্ণয় আর বহুরূপী মনুষ্যত্বের ক্যালেন্ডার!
যোগ হয়েছে স্বার্থের বিস্তর তালিকা, কৃত্রিম মন উৎপাদনের সূচি, মন বোঝার মন্ত্র! সাইবার হামলা সবকিছু ব্লক করেছে!
লগ-আউট করেছে আমার প্রেমময় দিন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মায়া !
মনুষ্যত্বের উপত্যকা আবেগী মন বিরহের মেঘ, দাম্পত্য জীবন, কষ্টের দিন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর কিছু রঙিন স্বপ্ন!
এখন নিজেকে মানুষ ভাবতে পারি না—যান্ত্রিক মনে হয়! কেউ কেউ এলিয়েন বলে বিস্মিত চোখে তাকায়; উপত্যকায় শুধুই অগ্নিগিরির স্ফুলিঙ্গ হয় প্রতিনিয়ত।
[পাবনা]
