তিনচাকা

অনন্য কাওছার 

কেউ জানে না বুকের ভেতর কখন কবে শূন্য লাগে, 
কার অভাবে দুচোখ দিয়ে ক্রমান্বয়ে অশ্রু নামে, 
কে বা হাঁটে স্মৃতির পাশে, কে এখনও রাত্রি জাগে 
কার কথাতে বিষাদ কিনে ফের বেচে দিই জলের দামে। 
কেউ জানে না বুকের ভেতর চুপিসারে কে বা হাঁটে 
কার স্মৃতিকে আগলে রেখে কার বিরহ উনষাটে।
২.
কে বিরহী বিষাদ চাষি বেদনার কার বিপুল ফসল 
মাঠ কিংবা আকাশে কার দুঃখকথা নিছক সফল। 
ছায়া কিংবা ছাতার মতো কে থেকেছে আমার বুকে 
কার কারণে গান কবিতা গিলে নিচ্ছে চিনাশোকে।
কেউ জানে না বুকের ভেতর মৃত্যু আসে চুপিসারে 
বেদনারা নারীর মতো আমাকে চায় অভিসারে। 
৩.
কে হেঁটে যায় ছায়ার মতো পরনে কার কালো শাড়ি 
কে জেনেছে চাঁদের পাহাড় তুচ্ছ যখন কাঁদছে নারী
কেউ বুঝেনি ফুলের মতো নারীর হৃদয় অধিক কোমল 
রোদের ঝিলিক হার মেনেছে যেথায় নারী সহজসরল। 
বিপরীতে, অনেক নারী সাপের মতো সুতীক্ষ্ণ দাঁতে 
ছোবল মেরে জীবন শেখায় বেদনার আর অশ্রুপাতে।




Previous Post Next Post