গুচ্ছ কবিতা
অলোক আচার্য
অলোক আচার্য
কেন বলতে হবে ’ভালো আছি’
ভালো আছি, শব্দটি হারিয়ে গেছে তোমার সাথে
আমিও আর ছুটছি না, সবকিছু পেলে ভালো হয়
ভালো আছি তখনো বলতে পারবো না!
ভালো থাকা মানে নিয়ম করে হাঁটা
পেটের মেদটা কমিয়ে আনা
ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরা, আর?
কেউ কেমন আছি জিজ্ঞ্যেস করলে, হেসে
এই তো ভালোই আছি!
তখনও ভাবছি বাড়িতে কি যেনো নিয়ে ফিরতে হবে
পকেটে বউয়ের লিষ্টিটা মোচড়ানো, আমার হৃদয়ের মতো!
অফিসের বড়ো বাবুর ফাইলটা কাল দিতে হবে!
শম্ভুর দোকানে এক মাসের মাস সদাইয়ের টাকা বাকি!
এক মন্ত্র শিখেছি, ভালো আছি বলা! ভালো থাকা কাকে বলে
মানুষ সত্যি জানে? রাতঘুম ঢুকে গেছে পকেটে; দিন-রাত জেগে
থেকেও কেন বলতে হবে ’ভালো আছি’!
কত কিছুই আঁকছি
কত কিছুই আঁকছি
বারান্দার অপদার্থের দাঁড়িয়ে থাকা
মেহগুনি গাছের বিশ্রাম
রোদগুলো ফুঁটছে সেদ্ধ ডিমের মতো
নৌকায় মাঝি নেই, শূন্য জলহীন মাঠ
শুধু তোমার মুখচ্ছবি আঁকছি না!
আঁকতে চাইছি কিছু একটা
ভিতরের খাঁ খাঁ দেখতে কেমন হয়
উপবাসী রমণীর চোখ জোড়া
ঘাম মুছে দিলে যে পুরুষ তৃপ্তিতে তাকায়
কত কিছুই তো আঁকতে চাইছি-
তোমার মুখটাও ঠিকঠাক হচ্ছে না!
ভাবতেই পারছি না
বলতে গেলে একটু ভাবতে হয়
সময় নিতে হয়,
অথচ ভাবতেই পারছি না অতেটা!
মাথার ভিতর সব এলোমেলো পথহীন
ভাবছি, এবার অন্তত বারান্দাটা পেরিয়ে যাবো
নাইট কুইন দুটো ছিঁড়ে নেবো হাতে
ভাবতেই, আরো কিছু জড়ো হয়ে
সব উল্টে দিচ্ছে
ভাবছি,আরেকটু বেলা হলে তোমার ভাবনাটা
হয়তো দূরে সরে যাবে
তখন আর সময় নিয়ে তোমাকে
ভাবতে হবে না!
বলতে গেলে একটু ভাবতে হয়
সময় নিতে হয়,
অথচ ভাবতেই পারছি না অতেটা!
মাথার ভিতর সব এলোমেলো পথহীন
ভাবছি, এবার অন্তত বারান্দাটা পেরিয়ে যাবো
নাইট কুইন দুটো ছিঁড়ে নেবো হাতে
ভাবতেই, আরো কিছু জড়ো হয়ে
সব উল্টে দিচ্ছে
ভাবছি,আরেকটু বেলা হলে তোমার ভাবনাটা
হয়তো দূরে সরে যাবে
তখন আর সময় নিয়ে তোমাকে
ভাবতে হবে না!
